সেনা অভ্যুত্থানের পথে মিয়ানমার

প্রবল রাজনৈতিক সংকটে মিয়ানমার। পার্লামেন্টে অধিবেশন শুরুকে কেন্দ্র করে নজিরবিহীন উত্তেজনা দেখা দিয়েছে দেশটির নির্বাচিত সরকার ও সামরিক বাহিনীর মধ্যে। নানা বিষয়ে দু’পক্ষের মধ্যে আলোচনা ফলপ্রসূ না হওয়ায় সামরিক অভ্যুত্থানের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

এমন পরিস্থিতিতেই জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তেনিও গুতেরেসের পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়া, যুক্তরাজ্য, কানাডা, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাষ্ট্র এবং অন্য আরও ১২ টি দেশ শুক্রবার আলাদা আলাদা বিবৃতি দিয়ে মিয়ানমারের সেনাবাহিনীকে ‘গণতান্ত্রিক রীতিনীতি মেনে চলার’ আহ্বান জানিয়েছে।

গত বছরের নভেম্বরে বিপুল ভোট জয়ের মধ্য দিয়ে ফের ক্ষমতায় আসেন ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্র্যাসি (এনএলডি)। এরপরই ফলাফল নিয়ে ব্যাপক প্রশ্ন তোলে সামরিক বাহিনী। তবে সামরিক বাহিনী এক মুখপাত্র সম্ভাব্য সামরিক অভ্যুত্থানকে উড়িয়ে দিয়েছেন।

গত ৮ নভেম্বরের ওই নির্বাচনে জালিয়াতির অভিযোগ করে আসা মিয়ানমারের সেনাবাহিনী বলেছে, তাদের অভিযোগ আমলে না নিলে বাহিনীর পক্ষ থেকে বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই হুমকির মধ্যেই সম্প্রতি সেনাবাহিনীর এক মুখপাত্র ক্ষমতা দখল করে নেওয়ার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেননি।

উল্লেখ্য, ২০১১ সালে দীর্ঘ ৫০ বছরের সেনা শাসনের অবসান ঘটিয়ে গণতন্ত্রের পথে ফেরে মিয়ানমার। কিন্তু দেশটির সংসদে ২৫ শতাংশ সেনাবাহিনীর হাতে থাকে।