দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ফেব্রুয়ারিতে খুলবে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে হবে আংশিক ক্লাস

দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ফেব্রুয়ারি থেকে খুলে দেয়া হবে। তবে শুরুতে সকল প্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হলেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষার্থীদের আংশিক উপস্থিতিতে ক্লাস নেয়া হবে। এ ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতি বছরের এসএসসি-সমমান ও এইচএসসি-সমমান পরীক্ষার্থীদের অগ্রাধিকার দেয়া হবে বলে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর (মাউশি) সূত্রে জানা গেছে।

মাউশি সূত্র জানায়, করোনা পরিস্থিতি বিবেচনায় চলমান স্কুল-কলেজের ছুটি বাড়ানো হয়েছে। আগামী ৩০ জানুয়ারি পর্যন্ত দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। তবে কওমি মাদরাসা এ ছুটির আওতামুক্ত থাকবে।

আজ রবিবার (১৭ জানুয়ারী) মাউশির মহাপরিচালক অধ্যাপক সৈয়দ গোলাম ফারুক বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার কাজ শুরু করা হয়েছে। পরিস্থিতি অনুকূলে থাকলে ফেব্রুয়ারির শুরুতে সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হবে। তবে শুরুতে সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা হলেও সকল শিক্ষার্থীর ক্লাস শুরু করা হবে না। এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের আংশিক আকারে ক্লাস নিয়ে সিলেবাস শেষ করা হবে।

এদিকে আগামী ১২ এপ্রিল পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের অ্যাসাইমেন্ট দেয়ার জন্য সিলেবাস তৈরি করেছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)।

তবে সূত্র জানিয়েছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি আর নতুন করে বাড়ানো হবে না, আগামী মাসের (ফেব্রুয়ারি) শুরু থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া হবে। তবে ফেব্রুয়ারি থেকে সকল শিক্ষার্থীর ক্লাস শুরু হবে না। এ ক্ষেত্রে চলতি বছরের এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের সিলেবাস শেষ করতে ক্লাস শুরু করা হবে। ধাপে ধাপে অন্যান্য শ্রেণির ক্লাস শুরু করা হবে।

জানা গেছে, শিক্ষার্থীদের মধ্যে বিজ্ঞান, বাণিজ্য ও মানবিক বিভাগ থেকে প্রতিদিন একটি বিভাগের শিক্ষার্থীদের ক্লাস নেয়া হবে। বর্তমানে সে ধরনের ক্লাস রুটিন তৈরির কাজ শুরু করতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্দেশনা দিতে যাচ্ছে মাউশি।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সম্মতি দেয়ার পর শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি এ বিষয়ে নির্দেশনা দিয়েছেন। তার প্রেক্ষিতে সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কাজ শেষ করতে বলা হয়েছে। সকলকে স্বাস্থ্যবিধি মেনে স্কুল-কলেজে পাঠদান কার্যক্রম করতে নির্দেশনা দেয়া হবে। তবে দ্রুত এ বিষয়ে মাউশি থেকে নির্দেশনা জারি করা হবে বলে।