মুসলিম শহিদদের কবরস্থান ভেঙে উদ্যান বানাচ্ছে ইসরাইল

হাজার বছরের ঐতিহ্য ও স্মৃতির ধারক ও বাহক পবিত্র নগরী আল-কুদসের স্থাপনাগুলো দখল ও তা ভেঙে ধ্বংস করে দেয়ার ষড়যন্ত্রে মেতে ওঠেছে দখলদার ইসরাইল। এবার তাদের কুনজরে ধ্বংস হচ্ছে ফিলিস্তিনের শহিদদের একটি কবরস্থান। ‘তাওরাত উদ্যান’ নামে একটি উদ্যান বানানোর পরিকল্পনায় তারা ধ্বংস করছে মুসলিম শহিদদের এ কবরস্থান। খবর আল-জাজিরা আরবি।

দখল ইসরাইল বাহিনী আল-কুদসের হাজার বছরের ঐতিহ্য ও স্মৃতিগুলো একের পর এক ভেঙ্গে গুড়িয়ে দিচ্ছে। দখল করছে গ্রাম ও শহর। ফিলিস্তিনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র দাইফুল্লাহ আল ফায়েজের তথ্য মতে, জেরুজালেমের পুরাতন শহর এবং আল-আকসা মসজিদের সাথে সংযোগের সিঁড়িগুলো গুড়িয়ে দিচ্ছে।

এক বিবৃতিতে দাইফুল্লাহ আল ফায়েজে বলেন, দখলদার ইসরাইলি বাহিনীর লক্ষ্য হলো ইসলাম ও আরবদের পরিচয় মিটিয়ে দিয়ে ইয়াহুদিদের রাজ্য প্রতিষ্ঠা করা।

এদিকে কবরস্হান রক্ষনাবেক্ষণ কমিটির চেয়ারম্যান মোস্তফা আবু জুহরা এক বিবৃতিতে জানান, শহিদ ফিলিস্তিনিদের এ কবরস্হানের আয়তন প্রায় ৪ হাজার বর্গমিটার৷ এখানে অসংখ্য শহিদের কবরসহ অনেক প্রাচীন স্মৃতিও রয়েছে এ কবরস্থানে। আল-আকসা মসজিদে থেকে এ কবরস্থানের দিকে যাওয়ার সংযোগ সিঁড়িটি ভেঙে দিয়েছে। তারা কবরস্থানের এ জমিতে ‘তাওরাত উদ্যান’ বানানোর ঘৃণ্য পরিকল্পনা গ্রহণ করছে৷

ঘৃণ্য এ ঘটনায় প্রতিবাদ ও নিন্দা জানিয়েছে জর্ডান। গত সোমবার (১১ জানুয়ারি) জর্ডানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র বলেন, দখলদার দেশটির এই পদক্ষেপ আন্তর্জাতিক মানবিক আইন এবং জাতিসংঘের শিক্ষামূলক ও সাংস্কৃতিক সংস্থার সিদ্ধান্তগুলির সুস্পষ্ট লঙঘন৷ তিনি দখলদার ইসরাইল কর্তৃক এই ধ্বংস ও সহিংস কর্মকান্ডের তীব্র নিন্দা জানিয়ে অনতিবিলম্বে এই কর্মকাণ্ড বন্ধ রাখার আহ্বান জানান৷