হলোকাস্ট অস্বীকৃতির বিরুদ্ধে শাস্তিস্বরুপ ব্যবস্থা, ফেসবুক-টুইটারের

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ‘হলোকাস্ট’ অধ্যায়কে অস্বীকৃতি জানিয়ে টুইট করলে, সেটি মুছে দেবে টুইটার। সপ্তাহখানেক আগে এ ব্যাপারে পদক্ষেপ নিয়েছে মার্কিন সামাজিক মাধ্যম জায়ান্ট ফেইসবুকও।

টুইটার জানিয়েছে, এ ধরনের টুইট তাদের ‘বিদ্বেষমূলক আচরণ নীতি’র লঙ্ঘন বলে বিবেচিত হবে। টুইটারের এক মুখপাত্র এ ব্যাপারে নিশ্চিত করেছেন বলে প্রতিবেদনে জানিয়েছে এনগ্যাজেট।

অন্যদিকে, এ সপ্তাহে আপডেট হওয়া ফেইসবুকের নীতি শুধু হলোকাস্টের ব্যাপারেই কঠোর হওয়ার কথা জানিয়েছে। আর্মেনিয়া বা রোয়ান্ডার মতো অন্য কোনো গণহত্যার পোস্টের ব্যাপারে প্ল্যাটফর্মটি ব্যবস্থা নেবে কি না, সে ব্যাপারে সুনির্দিষ্ট করে কিছু বলেনি।

টুইটার মুখপাত্র এক বিবৃতিতে বলেছেন, “আমরা দৃঢ়ভাবে ইহুদিবিদ্বেষ নিষিদ্ধ করছি, আমাদের সেবায় বিদ্বেষমূলক আচরণের কোনো ঠাঁই নেই। আমাদের বিদ্বেষমূলক আচরণ নীতি অনেক ধরনের আচরণ নিষিদ্ধ করেছে, এগুলোর মধ্যে রয়েছে সহিংস কোনো ঘটনার বরাত দেওয়া বা যে ধরনের সহিংসতায় সুরক্ষিত শ্রেণী প্রাথমিক ভুক্তভোগী ছিলেন, বা এগুলো অস্বীকার ও মিটিয়ে দেওয়ার প্রচেষ্টা।”

তিনি আরও জনিয়েছেন, টুইটারের ‘সহিংসতাকে মহিমান্বিত করা সম্পর্কিত নীতি’ রয়েছে। কোনো সহিংসতাকে মহিমান্বিত করার চেষ্টা করা হলে তা ওই নীতির অধীনে পড়বে, এর মধ্যে হলোকাস্টও রয়েছে।

টুইটারের দেওয়া তথ্য অনুসারে, মানবাধিকার কাঠামোর ভিত্তিতে নিজেদের নীতির ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয় প্রতিষ্ঠানটি। প্ল্যাটফর্মে ইহুদিবিদ্বেষ ঠেকাতে এনজিও, ইহুদি কমিউনিটি এবং নাগরিক সমাজ অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করে বলেও জানিয়েছে মাইক্রোব্লগিং সাইটটি।