ধর্ষণ, নারী নির্যাতন রোধে পর্দা বাধ্যতামূলক করার দাবি

ধর্ষণ, নারী নির্যাতন এসব রোধে পর্দা বাধ্যতামূলক করার বিকল্প নেই বলে জানিয়েছেন হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশের মহাসচিব আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী।

এসময় নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে এক নারীকে বিবস্ত্র করে বর্বরোচিত নির্যাতন চালানোর ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান তিনি। একই সঙ্গে অভিযুক্তদের গ্রেফতার করে দ্রুত সময়ের মধ্যে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করার জোর দাবি জানিয়েছেন তিনি।

সোমবার (০৫ অক্টোবর) রাজধানীর বারডেম জেনারেল হসপিটাল থেকে সংবাদমাধ্যমে প্রেরিত এক বিবৃতিতে এসব কথা বলেন হেফাজত মহাসচিব।

এ ব্যাপারে আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে দেশে ধর্ষণের ঘটনা উদ্বেগজনক মাত্রায় বেড়েছে। সংবাদপত্রের ভাষ্য অনুযায়ী নোয়াখালীর এ ঘটনা আইয়্যামে জাহিলিয়াতকেও হার মানিয়েছে।

তিনি বলেন, এ ঘটনার বিবরণ শুনে আমার হৃদয়ে রক্তক্ষরণ হচ্ছে। মানুষ কীভাবে এতটা হিংস্র হতে পারে! বর্বরোচিত কায়দায় এভাবে কোনো মা-বোন নির্যাতনের শিকার হওয়ার পর চুপ করে ঘরে বসে থাকা যায় না।

তিনি আরও বলেন, এ ঘটনায় এক মাস পার হয়ে গেলেও স্থানীয় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী লম্পটদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিতে পারেনি এটি বড়ই দুঃখজনক। অবহেলার এ দায় স্থানীয় প্রশাসন এড়াতে পারে না।

এসময় হেফাজত মহাসচিব বলেন, পর্দা নারীর মৌলিক অধিকার। পর্দাতেই নারী সর্বাধিক নিরাপদ। নারীকে নিরাপদে রাখতে পারলে তখন ব্যক্তি, দেশ, জাতি ও সমাজ, সংসার সবকিছুই নিরাপদ। ধর্ষণ, নারী নির্যাতন এসব রোধে পর্দা বাধ্যতামূলক করার বিকল্প নেই।

এদিকে হুশিয়ারি উচ্চারণ করে আল্লামা জুনায়েদ বাবুনগরী বলেন, অতি দ্রুত সময়ের মধ্যে নোয়াখালীর বর্বরোচিত এ ঘটনায় প্রকৃত দোষীদের গ্রেফতার করে সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত না করলে এর প্রতিবাদে গোটা দেশ উত্তাল হয়ে উঠতে পারে।