এই ধরনের নোংরা মানুষজন পৃথিবী থেকে চলে গেলে সমাজ ক্ষতিগ্রস্ত হবে না

গৃহবধূকে বেঁধে বিবস্ত্র করে নির্যাতন, শ্লীলতাহানি ও ধর্ষণচেষ্টার ঘটনায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল করার প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে গোটা দেশ। এর সাথে উত্তাল হয়ে উঠেছেন নোয়াখালীর এলাকাবাসী।

এদিকে সোমবার সকাল থেকে নোয়াখালী জেলা শহরে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ করা হয়েছে। জেলা শহরের প্রধান সড়ক জেলা প্রশাসক অফিসের সামনে, পুলিশ সুপারের অফিসের সামনে, প্রেসক্লাব, আইনজীবী সমিতি, জেলা জজ আদালতের সামনে বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক সংগঠন মানববন্ধন শেষে বিক্ষোভে ফেটে পড়ে। এছাড়াও দেশের বিভিন্ন জায়গায় এই ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিলসহ নানা কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

প্রসঙ্গত, গতকাল রবিবার দুপুরের দিকে ঘটনার ৩২ দিন পর ওই গৃহবধূর নির্যাতনের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে প্রকাশ পেলে তা ভাইরাল হলে জনমনে অসন্তোষ দেখা দেয়।

এ ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নোয়াখালী-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ একরামুল করিম চৌধুরী।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক লাইভে এমপি একরামুল করিম বলেন, আমি খুব বিব্রত। নোয়াখালীতে একটি নারীর উপর এভাবে অত্যাচার এবং বর্বরোচিত ঘটনা ঘৃণা জানাচ্ছি। পুলিশ প্রশাসনকে উদ্দেশ্য করে একজন এমপি হিসেবে নয় একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে বলবো কত ক্রসফায়ারই তো আপনারা দিতেন, এই ধরনের নোংরা টাইপের দুই একজন মানুষ পৃথিবী থেকে চলে গেলে এই সমাজ কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হবে না। এছাড়া দ্রুতবিচার আইনে অপরাধীদের ফাঁসির দাবিও করেন তিনি।

এ ঘটনায় নোয়াখালীর বেগমগঞ্জ উপজেলায় নয়জনের নাম উল্লেখ করে মামলা হয়েছে থানায়। আসামিরা হলেন- বাদল, মো. রহিম, আবুল কালাম, ইস্রাফিল হোসেন, সাজু, সামছুদ্দিন সুমন, আবদুর রব, আরিফ ও রহমত উল্যা। তাদের সবার বাড়ি বেগমগঞ্জে।

ওই মামলার প্রধান আসামিসহ দুজনকে ঢাকা ও নারায়ণগঞ্জ থেকে গ্রেফতার করেছে র্যাপব; নোয়াখালীর পুলিশ আরও দুজনকে গ্রেফতার করেছে বলে জেলার পুলিশ সুপার মো. আলমগীর হোসেন জানিয়েছেন। ছবিতে, এমপি একরামুল করিম চৌধুরী (ফাইল ছবি)।