করোনাভাইরাসকে পাত্তা না দিয়ে ঘুরাঘুরি

করোনাভাইরাস সংক্রমণের ঝুঁকি সত্ত্বেও পর্যটকের চাপে মুখরিত হয়ে উঠেছে সিলেটের পর্যটন স্পটগুলো। ঈদুল আযহার পরদিন (রবিবার, ২ আগস্ট) থেকে সিলেটের প্রতিটি পর্যটন স্পটে পর্যটকদের ভিড় ছিল লক্ষণীয়। জাফলং, লালাখাল, রাতারগুল, বিছানাকান্দি, পান্তুমাই, ভোলাগঞ্জ জিরো লাইন ও বঙ্গবন্ধু হাইটেক পার্কে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পর্যটক ভিড় করেছেন।

সিলেট ট্যুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) এ কে এম মোশাররফ হোসেন জানান, করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে তারা পর্যটকদের পর্যটন স্পটে যেতে নিরুৎসাহিত করছেন। এরপরেও কিছু কিছু স্পটে ঈদের ছুটিতে পর্যটকরা ভিড় করছেন। এদের বেশিরভাগই স্থানীয় বাসিন্দা।

ভারতের মেঘালয় পাহাড় ঘেঁষা জাফলং, পান্তুমাই’র ঝর্ণা, বিছনাকান্দির স্বচ্ছ-সফেদ পানি আর সোয়াম ফরেস্ট রাতারগুল, ভোলাগঞ্জের জিরো লাইনে সাদা পাথর এলাকা পর্যটকদের বাধ ভাঙা উচ্ছ্বাসে এখন মুখরিত।

ভোলাগঞ্জ জিরো লাইনে মঙ্গলবার বেড়াতে যান সিলেট মহানগরের যুবলীগ নেতা গুলজার হোসেন জগলু। তিনি বলেন, এখানে বেড়াতে আসতে পেরে পরিবারের সদস্যরা খুশি।

কোম্পানীগঞ্জের সাংবাদিক আবিদুর রহমান জানান, ঈদের পরদিন থেকে ভোলাগঞ্জ সাদা পাথর এলাকায় ভিড় করছেন পর্যটকরা। অনেকে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা সদর থেকে আবার কেউ কেউ ভোলাগঞ্জ ১০ নম্বর এলাকা থেকে নৌকাযোগে ওই স্পটে যাচ্ছেন।

এছাড়া, কোম্পানীগঞ্জে নবনির্মিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব হাইটেক পার্কেও ঈদের দিন থেকে পর্যটকদের পদচারণায় মুখরিত হয়ে উঠেছে।

এদিকে, পর্যটনকেন্দ্রে ভিড় থাকলেও সিলেটের আবাসিক হোটেলগুলো ফাঁকাই পড়ে আছে। নগরীর হোটেল গ্র্যান্ড সুরমা সিইও এমরান হোসেন জানান, ঈদের পরদিন থেকে তাদের হোটেল খোলা থাকলেও মাত্র ২-৩টি কক্ষ বুকড আছে।

প্রসঙ্গত, দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণ শুরুর পর সিলেটের পর্যটন স্পটগুলো বন্ধের নির্দেশ দেয় সিলেট জেলা প্রশাসন। এখন পর্যন্ত সেই নিষেধাজ্ঞা উঠিয়ে নেওয়া হয়নি।