“ডাক্তারের কথা শুনি না, মানুষের কথা শুনি”

হাসপাতালে বসে লিখছেন ‘করোনা বনাম বিশ্ব পুঁজিবাদ’। কেমন আছেন জিজ্ঞেস করতেই বললেন, আমি ভালো আছি। খাচ্ছি, হাটছি আর মানুষের কথা শুনছি। ডাক্তারদের কথা শোনেন কিনা প্রশ্ন করতেই উত্তর দিলেন, ডাক্তারের কথা শুনি না, মানুষের কথা শুনি। বলছিলাম গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাষ্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীর কথা।

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন ডা: জাফরুল্লাহ চৌধুরীর শারীরিক অবস্থা আগের থেকে ভালো। ফুসফুসের সংক্রমণ গতকালের চাইতে আরও কমছে। নিয়মিত এন্টিবায়োটিক দিতে হচ্ছে। নিয়মিত কিডনি ডায়ালাইসিস করছেন। অক্সিজেন প্রয়োজন হয় না তবে গলার ব্যাথার জন্য কথা বলতে কষ্ট হচ্ছে।

বর্তমানে একটু একটু কথা বলতে পারেন এবং ইশারায় আর লিখে তিনি কথার উত্তর দেন। চিকিৎসকগণ তাকে জরুরী প্রয়োজনে ব্যতীত কথা বলতে নিষেধ করেছেন। তার শরীরে করোনাভাইরাস ইনফেকশন নেই তবে নতুন ব্যাকটেরিয়া ইনফেকশন অনেক কমছে। তাকে আরও বেশ কিছুদিন দিন হাসপাতালে থেকে চিকিৎসা নিতে হবে।

এর আগে করোনা নেগেটিভ হওয়ার ঠিক একদিন পরেই ধানমণ্ডির গণস্বাস্থ্য নগর ভবন হাসপাতালের চার তলা থেকে কাউকে না জানিয়ে সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিমের জানাজায় উপস্থিত হয়ে যান ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। খবর পেয়ে তার পেছনে পেছনে স্যালাইন ও চিকিৎসা সামগ্রী নিয়ে উপস্থিত হন চিকিৎসকরা। পরে তাকে স্যালাইন দেয়া হয়।