কন্ট্রোল রুমের ১২ জনসহ ১৬৫ ফায়ার ফাইটারের করোনা

নিয়ন্ত্রণ কক্ষে সারাদিন আগুনের সংবাদ সংগ্রহ করা ১২ জনসহ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের মোট ১৬৫ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।

ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদফতরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (মিডিয়া সেল) মো. শাহজাহান শিকদার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, আক্রান্তদের ৯ জনকে হোম কোয়ারেনটাইনে এবং ৭৫ জনকে প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেনটাইনে রাখা হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে ৮৪ জন সুস্থ হয়ে নিজ নিজ কর্মস্থলে যোগদান করেছেন।

ফায়ার সার্ভিস জানায়, করোনা আক্রান্তদের মধ্যে ২১ জন সদর দফতর সিদ্দিকবাজার ফায়ার স্টেশনের, ১৯ জন তেজগাঁও ফায়ার স্টেশনের, ৩০ জন অধিদফতরের বিভিন্ন শাখার, ৯ জন সদরঘাট ফায়ার স্টেশনের, ১২ জন হাজারীবাগ ফায়ার স্টেশনের, ৮ জন ঢাকা কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষের, ১২ জন ডি.ই.পি.জেড ফায়ার স্টেশনের (সাভার), ৮ জন সাভার ফায়ার স্টেশনের, ১ জন লালবাগ ফায়ার স্টেশনের, ১ জন মোহাম্মদপুর ফায়ার স্টেশনের, ২ জন মানিকগঞ্জ ফায়ার স্টেশনের, ৩ জন ডেমরা ফায়ার স্টেশনের, ৪ জন খিলগাঁও ফায়ার স্টেশনের, ৬ জন মুন্সিগঞ্জ ফায়ার স্টেশনের, ১ জন পলাশী ফায়ার স্টেশনের, ৫ জন সিলেট ফায়ার স্টেশনের, ১ জন বড়লেখা ও ১ জন কুলাউড়া ফায়ার স্টেশনের (সিলেট), ১ জন কেরানীগঞ্জ ফায়ার স্টেশনের, ১ জন টঙ্গি ফায়ার স্টেশনের, ৫ জন ফুলপুর ফায়ার স্টেশনের, ১ জন টাঙ্গাইল ফায়ার স্টেশনের, ১ জন সালতা ফায়ার স্টেশনের (ফরিদপুর), ১ জন রংপুর কন্ট্রোল রুমের, ১ জন সৈয়দপুর ফায়ার স্টেশনের (নীলফামারী), ৩ জন বারিধারা ফায়ার স্টেশনের এবং ২ জন পোস্তগোলা ফায়ার স্টেশনের, ৪ জন চট্টগ্রাম লামার ফায়ার স্টেশনের কর্মী। আক্রান্তদের পূর্বাচল মাল্টিপারপাস ফায়ার সার্ভিস সেন্টার ও রূপগঞ্জের ইউসুফগঞ্জ স্কুল (নারায়ণগঞ্জ) সহ বিভিন্ন স্থানে কোয়ারেনটাইনে রাখা হয়েছে।