জুমআর দিন ক্ষমা লাভে বিশ্বনবির দিকনির্দেশনা

মহামারি করোনার কারণে দেশব্যাপী মসজিদগুলোতে সীমিত আকারে জুমআ আদায় চালু ছিল। সরকারি নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী যথাযথ স্বাস্থ্য বিধি মেনে নামাজ আদায়ে শুরু হয়েছে। জুমআর দিন রয়েছে গোনাহ মাফের বিশেষ ঘোষণা।

জুমআর নামাজ আদায়ে বান্দা গোনাহ মাফ হয়ে যাওয়া প্রসঙ্গে প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম বিশেষ দিকনির্দেশনা ঘোষণা করেছেন-

– হজরত আবু হুরায়রারা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেছেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি উত্তমরূপে ওজু করে, এরপর জুমআয় আসে, মনোযোগ সহকারে খুতবা শোনে এবং নিরব থাকে; তখন থেকে পরবর্তী জুমআ পর্যন্ত এবং অতিরিক্ত আরও তিন দিনের গোনাহ ক্ষমা করে দেয়া হয়। যে ব্যক্তি অহেতুক কংকর স্পর্শ করল, সে অনর্থক কাজ করল।’ (মুসলিম)

হাদিসে কংকর স্পর্শ করার মর্মার্থ হলো, খুতবায় মনোযোগ নষ্ট করে এমন কাজ করা। আর অনর্থক কাজ করার মর্মার্থ হলো ওই ব্যক্তি জুমআর নামাজের বিশেষ সাওয়াব থেকে বঞ্চিত হলো এবং সাধারণ জোহরের নামাজ আদায়ের সাওয়াব পেল।

জুআর দিনের বাড়তি কিছু কাজের মাধ্যমেও রয়েছে গোনাহ থেকে ক্ষমা লাভের ঘোষণা। প্রিয় নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঘোষণা করেছেন-

– হজরত সালমান ফারসি রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি জুমআর দিন গোসল করে এবং যথাসম্ভব উত্তমরূপে পবিত্রতা অর্জন করে, এরপর (শরীরে) তেল মেখে নেয় অথবা সুগন্ধি ব্যবহার করে, তারপর মসজিদে যায়, আরদু জনের মধ্যে ফাঁক না করে এবং তার ভাগ্যে নির্ধারিত পরিমাণ নামাজ আদায় করে। আর ইমাম যখন (খুতবার জন্য) বের হন তখন চুপ থাকে। তার এ জুমআ এবং পরবর্তী জুমআর মধ্যবর্তী যাবতীয় গোনাহ ক্ষমা করে দেয়া হয়।’ (ইবনে মাজাহ)