নোয়াখালীতে করোনার উপসর্গ নিয়ে নারী পরিবারসহ উধাও

টাঙ্গাইল থেকে করোনাভাইরাসের উপসর্গ নিয়ে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে আসা এক নারী ও তার পরিবারের লোকজনকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

শনিবার সকালে উপজেলার মুসাপুর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। এতে এলাকায় করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মুসাপুর ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য আহসান উল্যা ভুট্টু জানান, ওই নারীর বাবার বাড়ি স্থানীয় বাংলাবাজার এলাকায়। তিনি টাঙ্গাইলে থাকতেন। সেখান থেকে তার স্বামী তাকে অ্যাম্বুলেন্সে সকালে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার মুসাপুর ইউনিয়নের বাংলাবাজার এলাকার বাড়িতে আসেন।

তিনি জানান, সকালে বাড়িতে অ্যাম্বুলেন্স দেখে স্থানীয়রা এগিয়ে এসে জানতে পারেন, ওই নারীর করোনাভাইরাসের উপসর্গ জ্বর, সর্দি, গলা ব্যথা রয়েছে। পরে ওই গৃহবধূর স্বজনরা স্থানীয় একটি মসজিদে দোয়ার জন্য যান। এরপর ৯টার পর থেকে পরিবারের ১০ সদস্যকে আর এলাকায় পাওয়া যাচ্ছে না। তাদের বাড়িতে তালা ঝুলতে দেখা যায়। এ ঘটনার পর এলাকায় আতঙ্ক বিরাজ করছে।

স্থানীয় বাসিন্দা নোবিপ্রবির এক কর্মকর্তা জানান, তিনি জেনেছেন, ওই নারী টাঙ্গাইলে করোনার উপসর্গ নিয়ে ভোগার পর এলাকায় আসেন। এর পর সকালে হঠাৎ পুরো পরিবারের উধাও হওয়ার কারণে স্থানীয়দের মাঝে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। কাছ থেকে গোটা এলাকায় ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করছে লোকজন। বিষয়টি স্থানীয় পুলিশ ও উপজেলা প্রশাসনকে জানানো হয়েছে।

কোম্পানীগঞ্জের ইউএনও ফয়সাল আহমেদ বলেন, তিনি বিষয়টি জেনেছেন। যে মসজিদে ওই নারীর স্বজনরা প্রবেশ করেছিলেন, সেটি জীবাণুনাশক দিয়ে পরিষ্কার করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া ওই পরিবারের লোকজনকে খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।