করোনায় আ’ক্রান্ত হয়ে বাংলাদেশীর মৃ’ত্যু

করোনায় আ’ক্রান্ত হয়ে ব্রিটেনে রোববার যে তৃতীয় ব্যক্তি করোনাভাইরাসে মা’রা গেছেন, তিনি ব্রিটিশ-বাংলাদেশী। সং’ক্রমণ ধরা পড়ার মাত্র পাঁচ দিনের মাথায় ম্যানচেস্টারের এক হাসপাতালে তিনি মা’রা যান। ইতালিতে বেড়াতে গিয়ে তিনি করোনাভাইরাসের সং’ক্রমণের শি’কার হয়েছেন বলে জানা গেছে। তার বয়স ছিল ৬০ বছর।

ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝি তিনি ইতালি যান। তখনও ইতালিতে করোনাভাইরাস এত ব্যা’পকভাবে ছড়ানোর কথা শোনা যায়নি। কিন্তু তিনি যে দুই সপ্তাহ ইতালিতে ছিলেন, তার মধ্যেই পরিস্থিতি দ্রুত খা’রাপ হয়। ব্যাপকভাবে সেখানে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে।

তার ছেলে জানান, ‘তিনি ব্রিটেন থেকে প্রতি বছরের শুরুতে আমার বাবা ইতালিতে বেড়াতে যান দুই-তিন সপ্তাহের জন্য। এটা তার একটা প্রিয় বেড়ানোর জায়গা। কারণ বহু বছর তিনি ইতালিতে ছিলেন। ১৯৮৯ সালে তিনি বাংলাদেশ থেকে ইতালি আসেন। তখন তিনি বয়সে তরুণ।’

ফেব্রুয়ারির ২৯ তারিখ বাবা ফিরে আসলেন ইতালি থেকে। এসেই অ’সুস্থ হয়ে পড়েন। তার কো’লেস্টরেল, আর্থ্রাই’টিস, হৃ’দরোগ, অ্যা’জমা, শ্বাসক’ষ্ট সহ বেশ কিছু রোগ ছিল।

তার ছেলে বলেন, ‘রোববার সকালে হাসপাতাল থেকে ফোন এলো আমাদের কাছে। তারা বললো, আধ ঘন্টা আগে বাবা মা’রা গেছেন। আমি বিশ্বাস করতে পারছিলাম না। খবরটা শুনে ধা’তস্থ হতে আমার কয়েক ঘন্টা সময় লেগেছিল। আমার বাবাকে আমি আর কোনদিন দেখতে পাবো না!’

তিনি আরও বলেন, আমরা যেহেতু আইসোলেশনে আছি, তাই আমার বাবার জা’নাজা বা দা’ফন কোনো কিছুই করতে পারছি না।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, তারা লা’শ আরো কিছু দিন ম’র্গে রেখে দেবে । আরো এক সপ্তাহ পর যখন আমাদের মু’ক্তি মিলবে, তখন আমরা বাবার জা’নাজা, দা’ফন এগুলোর আয়োজন করতে পারবো।
আমরা এখনো জানি না, তার জা’নাজা-দা’ফন এগুলো আমরা স্বাভাবিকভাবে করতে পারবো কিনা। কারণ তিনি তো স্বাভাবিকভাবে মা’রা যাননি। পাবলিক হেলথ ইংল্যান্ড যা বলে, সেই মতোই আমাদের কাজ করতে হবে।