ঘরে বসেই তৈরি করছে বিদেশি কসমেটিক্স

ত্বককে উজ্জ্বল, নিজেকে একটি আকর্ষণীয় করার জন্য আজকাল ফেসিয়াল ক্রিম ব্যবহার বেড়েই চলেছে ,তবে দেশে পাওয়া এসব প্রসাধনী কতটা খাঁটি? আর যে ব্র্যান্ড ব্যবহার করছেন, তাও কি আসল, নাকি ‘মেড ইন পুরান ঢাকা’?

ক্রেতারা মোড়ক দেখে আসল ভেবে কিনলেও এগুলো আসল মোড়কে নকল ভার্সন।
রূপচর্চার এসব প্রসাধনী মানহীন রাসায়নিক দিয়ে নামি ব্র্যান্ডের মোড়কে গোপনে তৈরি হচ্ছে পুরান ঢাকায়!

এক দোকানির সাথে আলাপকালে তিনি বলেন, কসমেটিক্স বাজারের অবস্থা আগে ভালো ছিল। এখন বাজারের অবস্থা তেমন সুবিধার নয়। আসল মাল বিক্রি করে লাভ হয় সীমিত। আর ক্রেতারাও বেশি দামে আসলটা নিতে চান না।

এসব প্রসাধনীতে মেশানো হচ্ছে ভ’য়াবহ কাপড়ের রং ও কেমিক্যাল। নানা রঙের সঙ্গে কেমিক্যাল হাতে মিশিয়ে বোতলজাত করছেন তারা।
ফেসিয়াল, স্কার্ব কিংবা শ্যাম্পু ব্যবহার করেন, এখানে সেসবে মেশানো হয় হাইড্রোজেন পারঅক্সাইড জাতীয় বিভিন্ন কেমিক্যাল।
এছাড়াও হারবাল শ্যাম্পুতে তারা ব্যবহার করেন, ‘থিকনার, বেজ, পানি আর সল্ট দিয়ে বানানো হয় সেসব শ্যাম্পু।’যা শরীরের জন্য ভয়ানক বি’পদজনক।

সেখানকার কিছু শ্রমিকের সাথে কথা বললে তারা বলেন, ‘এখানে অনেক ধরনের কেমিক্যাল আছে। সাদা, কালো, নীল। নাম তো বলতে পারব না।’

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রসাধনী নিয়ে অ’সাধু চ’ক্রের এমন জালিয়াতিতে ভ’য়াবহ রোগে আ’ক্রান্ত হতে পারেন ভোক্তারা। এসব প্রসাধনী ব্যবহারের ফলে স্কিন ক্যা’ন্সারসহ নানা জটিল রোগে আ’ক্রান্ত হওয়ার ঝুঁ’কি থাকে বলে জানান তারা।