অদূরে ক্যাপ্টেন ফ্যান্টাস্টিকের বিদায়

আসন্ন জিম্বাবুয়ে সিরিজই হবে মাশরাফির অধিনায়ক হিসাবে শেষ সিরিজ। বাংলাদেশ ক্রিকেটের এগিয়ে চলার ক্ষেত্রে মাশরাফির অবদান অনস্বীকার্য। অধিনায়ক কিংবা একজন খেলোয়াড় হিসাবে দলকে সামনে থেকেই নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। দেশের হয়ে তার মাঠে নামা হয়নি প্রায় ৮ মাস।

এর আগে আগে সর্বশেষ বিশ্বকাপে খেলার সময় অবশ্য বল হাতে ভালো করতে পারেননি তিনি। বয়সের সাথে সাথে বিশ্বকাপে তার এই পারফরম্যান্সের পড়তি অবসরের আলোচনাকে উসকে দিয়েছিল, যা এখনো চলমান।

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের ক্রিকেটারদের জন্য ফিটনেসের ব্যাপারে বেশ কড়াকড়ি নিয়ম আরোপ করছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। মাশরাফির খেলার কথা উঠতেই ফিটনেসের কথা তুলে আনেন বিসিবি সভাপতি। তবে তিনি জানিয়েছেন, বিপ টেস্টের ক্ষেত্রে মাশরাফির জন্য খুব কড়া হবে না বোর্ড।

এ ব্যাপারে পাপন বলেন, ‘আগে আমাদের বিপ টেস্টে উত্তীর্ণ হয়ে এসে খেলার নিয়ম ছিল না, কিন্তু এখন এটা চালু করেছি। দেখা যেতে পারে, বিপ টেস্টে মাশরাফি উত্তীর্ণ নাও হতে পারে। এটা একটা ব্যাপার। কিন্তু আমাদের মাথায় রাখতে হবে, বাংলাদেশ ক্রিকেটের এই অবস্থানে আসায় মাশরাফির বড় অবদান। আবার এখন একটা সময় এসেছে অবসরের সিদ্ধান্ত নেয়ার।’

আগামী ২০২৩ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপকে সামনে রেখেই দল সাজানোর এই পরিকল্পনা বিসিবির। পাপন বলেন, ‘আমার ধারণা, এই সিরিজে মাশরাফি অবশ্যই থাকছে। ও যদি ফিট না হয় সেটা আলাদা কথা। তবে ওর জন্য অতটা কড়াকড়ি হতে চাচ্ছি না। তবে আমাদের দ্রুত সিদ্ধান্তও নিতে হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সামনে আবার বিশ্বকাপ আছে, হঠাৎ করে অধিনায়ক নেয়া যাবে না। তাই দল ও অধিনায়ক- দুই বছর আগেই করে ফেলবো। আমাদের হাতে খুব বেশি সময় নেই। মাসখানেকের মধ্যে হয়তো আপনাদের জানাতে পারব।’