গাজীপুরে একটি গার্মেন্টসে নামাজ বা’ধ্যতামূলক, না পড়লে জ’রিমানা

গাজীপুরের মাল্টিফ্যাবস লিমিটেড নামের একটি কারখানায় সকল কর্মকর্তা, কর্মচারীদের জন্য অফিস চলাকালীন প্রতিদিন মসজিদে গিয়ে যোহর, আসর ও মাগরিবের নামাজ পড়া বা’ধ্যতামূলক করা হয়েছে।

গত ৯ তারিখে জারি করা একটি নোটিশে লেখা রয়েছে, নামাজ পড়তে যাওয়ার সময় সকোলকে পাঞ্চ মেশিনে পাঞ্চ করতে হবে। যদি কোন কর্মী পাঞ্চ করে নামাজ না পড়েন; তবে একদিনের সমপরিমাণ হাজিরা কে’টে নেয়া হবে তার বেতন থেকে।

কেন এই নির্দেশ-এই প্রশ্নে ফ্যাক্টরিটির অপারেশন্স বিষয়ক পরিচালক মেসবাহফারুকী বিবিসিকে বলেন, কর্মীদের মধ্যে ম’তভেদ-দূরত্ব কমানোর একটি উপায় হিসাবে কারখানায় নামাজ বা’ধ্যতামূলক করার এই সিদ্ধান্ত তিনি নিয়েছেন। আমাদের এখানে বিভিন্ন মতভেদের লোক আছে। এখানে একটা টিম হিসেবে কাজ করতে হয়। এখানে ফেব্রিক ডিপার্টমেন্টের সাথে নিটিং সেক্টরের হয়ত একটা স’মস্যা থাকে। একেকজন একেকজনের উপর দো’ষারোপ সারাদিন চলতেই থাকে। তো আমি এটার সমাধান হিসেবে চিন্তা করলাম তাদের যদি একসাথে বসানো যায়, একসাথে কিছু সময় যদি তারা কাটায়, তাদের মধ্যে দূরত্বটা কমবে।

তিনি বলেন, তার কাছে মনে হয়েছে মসজিদ ছাড়া একসাথে বসানোর কোন পন্থা তিনি খুঁজে পাননি।

ফারুকী তাদের সিদ্ধান্তের বিষয়ে স্বাস্থ্যগত একটি ব্যাখ্যাও দিয়েছেন। তিনি বলছেন, সারাদিন বসে বসে কাজ করায় কোলেস্টেরল বাড়ছে, ডায়াবেটিস বাড়ছে। মসজিদ চারতলায় হওয়াতে কিছুটা ব্যায়ামও হচ্ছে।

নোটিশে যেভাবে একদিনের বেতন কাটার কথা বলা হয়েছে সেয়ে তিনি বলছেন, এ এপর্যন্ত কারোর বেতন কা’টা হয়নি।