মৃ’ত্যুই কি ১০ লাখ উইঘুর মুসলিমের শেষ পরিণতি?

প্রা’ণঘাতী করোনাভাইরাসে চীনে মৃ’তের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। এ নিয়ে বিশ্বব্যাপী মৃ’তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪৮৩ জনে। নতুন করে এ ভাইরাসে আ’ক্রান্ত হয়েছেন আরও চার হাজার ৮২৩ জন। সবমিলিয়ে এ প্রদেশে মোট আ’ক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫১ হাজার ৯৮৬ জনে।

তবে চীন সরকার করোনা বিষয়ে গুরুত্বই দিচ্ছে না জিনজিয়াং প্রদেশের সংখ্যাল’ঘু মুসলমান সম্প্রদায় উইঘুরদের বিষয়ে। সেখানে ব’ন্দি থাকা ১০ লক্ষাধিক মুসলিম করোনায় আ’ক্রান্ত হওয়ার বিষয়ে আ’শঙ্কা প্রকাশ করেছেন।

এ পর্যন্ত চীনা রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম আনুষ্ঠানিকভাবে যে সংখ্যা প্রকাশ করেছে, তাতে দেখানো হয়েছে প্রদেশটিতে করোনায় আ’ক্রান্ত হওয়ার তেমন কোনো ঝুঁকি নেই।

তবে উইঘুর প্রতিনিধিরা বলছেন, তারা বি’তর্কিত এ বন্দিশালায় দ্রুত করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার আ’শঙ্কা করছেন। আর প্রদেশটিতে এ রোগ ছড়িয়ে যথেষ্ট কারণও রয়েছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, করোনাভাইরাস ছোঁয়াচে। হাঁচি, কাশি এমনকি করমর্দনের মাধ্যমেও ব্যক্তি থেকে ব্যক্তিতে ছড়িয়ে পড়ে এ রোগ।

জিনজিয়াং প্রদেশের বিতর্কিত বন্দিশালায় যথেষ্ট নাগরিক সুবিধা থেকে বঞ্চিত ১০ লাখের বেশি উইঘুর মুসলিম। সেখানে জীবাণু বি’নাশকারী সাবান ও বিশুদ্ধ পানির পর্যাপ্ত সরবরাহ না থাকায় এখানে ম’হামারি আকার ধারণ করতে পারে প্রা’ণঘাতী করোনাভাইরাস।

উইঘুর সম্প্রদায়ভুক্ত ফরাসি সমাজবিজ্ঞানী দিলনুর রেইহান বলেছেন, ‘উইঘুর সম্প্রদায়ের লোকরা কঠিন বিপদের সম্মুখিন। করোনাভাইরাস প্রাদুভার্বের মধ্যেই আমাদের পরিবারের সদস্যরা সেখানে বসবাস করছে। আমরা জানি না তারা পর্যাপ্ত খাদ্য-পানি পাচ্ছে কি না বা তাদের যথেষ্ট মাস্ক আছে কি না।’

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, জিনজিয়াং প্রদেশের সংখ্যালঘু ১০ লাখ উইঘুর মুসলিমদের আ’টকে রেখেছে চীন সরকার। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল এবং হিউম্যান রাইটস ওয়াচ জানিয়েছে, গণকারাগারে বন্দিদের আ’টকে রেখে প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের প্রতি আনুগত্য প্রকাশ করতে বাধ্য করা হচ্ছে।