টাইগারদের ‘শিক্ষাজীবন’ শেষ হবে কবে

দেশে বা দেশের বাইরে কারো সাথে ম্যাচ হারের পর বাংলাদেশের অধিনায়কদের মুখে একটি কমন বুলি শোনা যায়- ‘আমরা এই ম্যাচের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে পরের ম্যাচে ভালো পারফর্ম করব’। সেই পরের ম্যাচটা আর আসে না। আসলেও বহুদিন পর।

বারবার একই ভুল করতে দেখা যায় ক্রিকেটারদের। পারফর্মেন্স আরও বাজে হয়ে যায়। যেমনটা হচ্ছে চলতি পাকিস্তান সফরে। রাওয়ালপিন্ডি টেস্টে ব্যাট হাতে তেমন কেও ভালো করতে পারেনি। এর চেয়ে বড় ব্যাপার হচ্ছে পাকিস্তানের বিপক্ষে রাওয়ালপিন্ডি টেস্টে পুরো পাঁচ দিনও খেলতে পারল না বাংলাদেশ দল!

অন্যদিকে ভারতকে হারিয়ে যুব বিশ্বকাপ জয় করেছে টাইগার যুবারা। এদিকে টেস্ট ইনিংস ব্যবধানে হারের পর মুমিনুল বলেন, ‘তারা মাঠে যেভাবে লড়াই করেছে, যে ধৈর্য্য দেখিয়েছে সেটা আমাদের শেখা উচিত। তাদের থেকে আরেকটি বিষয়ও নিতে পারি। তারা যেভাবে নিজেদের ওপর বিশ্বাস রেখেছে এবং একে অপরের সাথে যেভাবে যোগাযোগ করেছে সেটাও আমরা গ্রহণ করতে পারি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আপনি জুনিয়র কিংবা সিনিয়র যে কারো কাছ থেকেই কিন্তু শিখতে পারেন। আপনার শিখতে পারাটাই হচ্ছে মূল বিষয়। তারা আমাদের বুঝিয়ে দিয়েছে কীভাবে বড় সাফল্য পেতে হয়। তারা অসাধারণ পারফরম্যান্স করেছে। তাদের দলের পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানাই।’

এ সময় মুমিনুল বলেন, ‘আমার কাছে মনে হয় যারা যুবদলের খেলোয়াড়, তারা খুব বেশি ক্ষুধার্ত ছিল। সবথেকে ভালো যে দিক, তারা দুই বছর একসঙ্গে খেলেছে। এটা খুবই ইতিবাচক দিক। একজন আরেকজনকে জানা, একজন আরেকজনের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা, বিশ্বাস করা এসবও কাজে দিয়েছে। মাঠে দেখেছেন হয়তো, একজন আরেকজনের জন্য চিৎকার করে যাচ্ছিল, যেভাবে ব্যাকআপ করছিল, সেখানে বিশ্বাস চলে আসে।’

মুমিনুল আরও বলেন, ‘এটা বাংলাদেশ ক্রিকেটের সবচেয়ে বড় অর্জন। এর থেকে বেশি কিছু আর হতে পারে না। আমার বিশ্বাস, এখান থেকে ছয়-সাত জন খেলোয়াড় পাওয়া যাবে পরে যারা বাংলাদেশ জাতীয় দলকে সাপোর্ট দিতে পারে।’