করোনাভাইরাসের প্রভাবে বন্ধ হয়ে যাবে দেশের কলকারখানা

চীনের করোনাভাইরাসের প্রভাবে আগামী মার্চের প্রথম সপ্তাহেই বাংলাদেশের উৎপাদনমুখী কারখানাগুলোয় অচলাবস্থা তৈরি ও ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে মনে করেন এফবিসিসিআইর সাবেক সভাপতি এ কে আজাদ। দেশের এই শীর্ষ রপ্তানিকারক বলেছেন, পোশাক কারখানাগুলোয় এখন ফেব্রিক্স নেই বললেই চলে। ফেব্রুয়ারিতে কোনোভাবে উৎপাদন সচল থাকলেও মার্চে অনেক কারখানা রপ্তানিতে বড় ধাক্কা খাবে।

অনেক ক্রেতার অর্ডার বাতিলেরও আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি। গতকাল বাংলাদেশ প্রতিদিনকে এ কে আজাদ বলেন, চীনের ওপর নির্ভরশীল শিল্পকারখানা রয়েছে সারা পৃথিবীতে। আমাদের দেশের শিল্প খাতের বড় অংশ নির্ভরশীল চীনের ওপর। ফলে দ্রুত যদি করোনাভাইরাস নিয়ন্ত্রণ করা না যায় তাহলে বড় ধরনের ধাক্কা লাগবে দেশের শিল্প খাতে। চীনে এখন শিল্পোৎপাদন বন্ধ আছে। এটা বড় ধরনের দুশ্চিন্তার কারণ।

এ উৎপাদন বন্ধ থাকলে আমাদের এখানকার অনেক শিল্প বন্ধ করে দিতে হবে। ধাক্কাটা এখনো লাগেনি। তবে খুব দ্রুত এ সংকট সৃষ্টি হবে। এ কে আজাদ আরও বলেন, করোনাভাইরাসে চীন আক্রান্ত হওয়ার প্রভাব বাংলাদেশে দীর্ঘায়িত হলে বিপাকে পড়বেন ব্যবসায়ীরা। তাই এখনই সরকারের সংশ্লিষ্ট দফতরগুলোকে সতর্ক দৃষ্টি রাখতে হবে। পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের সহায়তার জন্য ব্যাংকগুলোকে এগিয়ে আসতে হবে। উৎপানমুখী শিল্পে কোনো সমস্যা হলে ব্যাংকগুলোকে বিবেচনায় নিতে হবে।