টেস্ট দল থেকে মুশফিককে বাদ দিয়ে একটি মহল উঠেপড়ে লেগেছে

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একমাত্র টেস্টে মুশফিকুর রহিমকে নেওয়া হবে না বলে জোর গুঞ্জন উঠেছে। সে বিষয়েও ইঙ্গিত দিয়েছেন জাতীয় দলের প্রধান নির্বাচক মিনহাজুল আবেদীন নান্নু। প্রধান কোচ রাসেল ডমিঙ্গোও অনুমান করছেন, মুশফিকের সঙ্গে এমন কিছু করা হতে পারে। তবে বিসিবি ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের চেয়ারম্যান আকরাম খান জানালেন, ফিট থাকলে মুশফিক জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্ট খেলবেন।

মুশফিকের ঘনিষ্ঠ সূত্রে জানা গেছে, জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে টেস্ট খেলতে চান তিনি। হ্যামস্ট্রিং ইনজুরি মুক্ত হয়ে বিসিএলের পরের রাউন্ডে খেলার জন্য তৈরিও হচ্ছেন। তিনি জেনেও গেছেন, জিম্বাবুয়ে সিরিজের টেস্ট দলে তাকে না রাখতে একটি মহল উঠেপড়ে লেগেছে। কারণ মুশফিককে বাদ দিয়ে জাতীয় দলের সিনিয়র ক্রিকেটারদের বার্তা দিতে চান তারা।

মুশফিক জাতীয় দলে খেলেন ১৫ বছর ধরে। দেশের ক্রিকেটের প্রায় সব ভালোমন্দের সঙ্গে জুড়িয়ে আছেন তিনি। তার অবদানের কথা কেউই স্মরণ করছেন না; বরং দেশের অন্যতম সেরা এই ব্যাটসম্যানকে গিনিপিগ বানানোর চেষ্টায় লিপ্ত কেউ কেউ।

সাকিব আল হাসান ও তামিম ইকবাল একাধিকবার ছুটি নিয়েও জাতীয় দলে ফিরে সব ধরনের ক্রিকেট খেলার সুযোগ পান। মুশফিকের ক্ষেত্রে সেটা মানা হবে না কেন, প্রধান কোচ রাসেল ডমিঙ্গোর কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, ‘মুশফিককে জিম্বাবুয়ে সিরিজে নেওয়া হলে তার জায়গায় এখন যে পাকিস্তানে যাচ্ছে তাকে বাদ দিতে হবে। আবার এপ্রিলে যখন পাকিস্তানে দ্বিতীয় টেস্ট খেলতে যাবে তখন আরেকজন ঢুকবে। এতে করে যাকে এখন নেওয়া হচ্ছে তার প্রতি অবিচার করা হয়। তাকে পর্যাপ্ত সুযোগ দিতেই হয়তো নির্বাচকরা এভাবে চিন্তা করছেন। বিষয়টি নিয়ে মুশফিকের সঙ্গে কথা বললেই পরিষ্কার হবে।’

তবে নির্বাচক হাবিবুল বাশার এই বিতর্কে যেতে চান না। আপাতত পাকিস্তান সফর নিয়ে ফোকাস করার পক্ষে তিনি। জাতীয় দলের সাবেক এ অধিনায়ক বলেন, ‘হ্যামস্ট্রিং ইনজুরি আছে মুশফিকের। ফিট হলে তার মতো একজন ব্যাটসম্যানকে নিয়ে অবশ্যই ভাববে বোর্ড।’