ভারতকে পাকিস্থানের মাটিতে স্বাগত জানানোর অপেক্ষায় আফ্রিদি

দুই দেশের মধ্যে রাজনৈতিক বৈ’রিতা চরমে। এক সময় ছিল যখন ক্রিকেট বিশ্বে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচ হবে, ক্রিকেট বিশ্ব বিভক্ত হয়ে যাবে দুই ভাগে। চারদিকে উড়ে বেড়াবে উত্তেজনার রেণু, থাকবে যুদ্ধ-যুদ্ধ একটা ভাব। এমন কত ভারত-পাকিস্তান ক্রিকেট লড়াইয়ের সাক্ষী কলকাতার ইডেন গার্ডেন বা করাচির ন্যাশনাল স্টেডিয়াম! ভারতের নেহেরু স্টেডিয়াম বা পাকিস্তানের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামেও কি কম হয়েছে এশিয়ার দুই পরাশ’ক্তির ল’ড়াই!

আর এখন? ভারত-পাকিস্তান ক্রিকেট লড়াই দেখা যায় কালেভদ্রে, শুধু আইসিসির টুর্নামেন্টগুলোয়। দুই দেশের রাজনৈতিক উত্তাপের কাছে হার মানতে হয়েছে ক্রিকেটকে। পাকিস্তান প্রতিবেশী দেশটির সঙ্গে খেলতে চাইলেও ভারত আইসিসির টুর্নামেন্ট ছাড়া তা চায় না। ফলাফল—সেই ২০১২ সালের পর আর কোনো দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলেনি দল দুটি। আইসিসির মাধ্যমে কয়েক দফায় দেন-দরবার করেও ব্যর্থ হয়েছে পাকিস্তান। পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজ খেলার জন্য ভারতকে রাজি করাতে পারেনি কেউ।

ভারতের এই অ’নড় অবস্থার মধ্যেই পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক একটি স্বপ্ন দেখছেন পাকিস্তানের মাটিতে আবার দেখা যাবে ভারত-পাকিস্তান ক্রিকেট ম্যাচ। ২০১২ সাল থেকে কোনো দ্বিপাক্ষিক সিরিজ খেলছে না ভারত-পাকিস্তান। শহীদ আফ্রিদির আশা শিগগিরই পাকিস্তান সফরে আসবে ভারত।

আফ্রিদির ভাষায়, ‘২০২০ সালের এশিয়া কাপে ভারত যদি পাকিস্তানে খেলতে আসে, তবে আমরা তাদের স্বাগত জানাব। আমার মনে হয়, আমরা সবসময়ই তাদের পাকিস্তানে স্বাগত জানিয়েছি। আসলে ক্রিকেটের মতো খেলাই দুই দেশের মধ্যে দূরত্ব কমিয়ে আনার একমাত্র মাধ্যম।’

এশিয়া কাপের আয়োজক স্বত্ত্ব পাকিস্তানের। এই অবস্থায় নিরপেক্ষ ভেন্যুতে টুর্নামেন্ট আয়োজন করতে হবে কি? আফ্রিদি বলেন, ‘আমার মনে হয় এটা এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের সিদ্ধান্ত। দেখা যাক কী হয়! টুর্নামেন্টটা যে-ই আয়োজন করুক, ক্রিকেটটা চলবে।’

এর আগে ২০১৮ সালে এশিয়া কাপের আয়োজক ছিল ভারত। কিন্তু দুই দেশের রাজনৈতিক বৈ’রিতার কারণেই ওই আসরটি সরিয়ে নেয়া হয় সংযুক্ত আরব আমিরাতে। এবারও সংযুক্ত আরব আমিরাতের আয়োজক হওয়ার খবর শোনা যাচ্ছে।