দৌলতদিয়া যৌ’নপল্লীতে শিক্ষার্থীদের অবাধ যাতায়াত

রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়া যৌ’নপল্লীতে এখন আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে স্কুল-কলেজগামী কিশোর-যুবকদের আনাগোনা।

দৌলতদিয়া যৌ’নপল্লী-সংশ্নিষ্ট বিভিন্ন সূত্রের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, যৌ’নপল্লীতে আগতদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য একটি অংশ কিশোর-যুবক। যাদের বয়স ১৫ থেকে ২০ বছর। স্থানীয় স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীসহ রাজবাড়ী, ফরিদপুর, মানিকগঞ্জ জেলা থেকে কিশোর-যুবকরা দৌলতদিয়া যৌ’নপল্লীতে আসে। এ ছাড়া দেশের বিভিন্ন জেলা থেকেও এই বয়সের কিশোররা দলবেঁধে পল্লীতে এসে থাকে।

কিছুদিন আগে দুই কলেজছাত্রকে ধারালো চাকুসহ দুজন শিক্ষারথীকে আ’টক করা হয় । পরে তাদের ভ্রাম্যমাণ আ’দালতে হাজির করা হলে আ’দালত দু’জনকে মোট ৮ হাজার টাকা অর্থদ’ণ্ড দেন। ভ্রাম্যমাণ আ’দালতের নির্বাহী ম্যা’জিস্ট্রেট ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘আজ যাদের শাস্তি দিলাম, তাদের শিক্ষাঙ্গনে থাকার কথা। অথচ তারা আ’টক হয়েছে যৌ’নপল্লী থেকে।

আমাদের আগামী প্রজন্মকে সঠিক দিকনির্দেশনা দিতে না পারলে এবং এসব বিষয়ে অভিভাবকরা আরও সচেতন না হলে কিশোর-যুবকদের অনেকেই অন্ধকার জীবনে ঢুকে পড়বে। তাই এদের নিয়ে ভাবতে হবে সবাইকে।’

গোয়ালন্দ ঘাট থানার ওসি (তদন্ত) আমিনুল ইসলাম জানান, সম্প্রতি দৌলতদিয়া যৌ’নপল্লীতে একাধিক খুনের ঘটনায় এখানে আগতদের দেহ তল্লা’শি করা হচ্ছে। মঙ্গলবার এরই অংশ হিসেবে ওই দুই যুবকের দেহ তল্লা’শি করে ধারালো চা’কু উদ্ধা’র করা হয়। পরে তাদের ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে আদালত একজনকে ৫ হাজার টাকা ও অপরজনকে ৩ হাজার টাকা অর্থদণ্ডে’র আদেশ দেন।