ছক্কা হাঁকানোর ব্যাটসম্যান খুঁজছে বাংলাদেশ

এই মুহূর্তে জাতীয় দলে পাওয়ার হিটারের অভাব প্রকট। এই রকমের ভাবনা থেকেই গতকাল তিনে পাঠানো হয়েছিল মেহেদী হাসানকে।

পরপ্র দুটি ম্যাচেই বাংলাদেশের কাছ থেকে একই ধরনের স্লোমশনের ব্যাটিং দেখল পাকিস্তানের দর্শকেরা। এমন ব্যাটিং, যাতে তামিম-মাহমুদউল্লাহদের মনে রাখার মতো কিছু নেই। জয়-পরাজয় ছাপিয়েও অনেক সময় দু-চারটে সুন্দর শট দর্শকেরা মনে রাখেন। কিন্তু বাংলাদেশ দল খেলেছে তার ঠিক উল্টোটা।

এই মুহূর্তে ‘পাওয়ার হিটার’র অভাব বোধ করছে বাংলাদেশ। বারবার বিদেশিরাই দেশের বিপিএল লিগে পাওয়ার হিটিংয়ে নিয়ামক হন। জাতীয় দল একজন পাওয়ার হিটারের জন্য যে কতটা মরিয়া, সেটা বোঝা গেল কাল মেহেদী হাসানকে তিন নম্বরে পাঠিয়ে দেওয়া। ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টি খেলতে নামা মেহেদীকে তিন নম্বরে দেখে পাকিস্তানিরা তো ভেবেই বসেছিলেন, এ তরুণ বোধ হয় ব্যাটিংয়ে বাংলাদেশের নতুন কোনো সেনসেশন। তবে ১২ বলে ৯ রানে আউট হয়ে প্রত্যাশার প্রতিদান দিতে পারেননি মেহেদী।

দলে লিটন দাস ও সৌম্য সরকারদের মতো ব্যাটসম্যান থাকতে মেহেদীকে কেন তিন-এ পাঠানো হলো? এর নেপথ্যেও আছে সেই পাওয়ার হিটিং। কোচ রাসেল ডমিঙ্গো জানালেন, ‘আমরা এমন কিছু খেলোয়াড় চাচ্ছি যারা বলটাকে পিটিয়ে মাঠের বাইরে নিয়ে ফেলতে পারে। বাংলাদেশের ক্রিকেটে এ ধরনের হিটার ব্যাটসম্যানের বড় অভাব।’

বিপিএলে মেহেদীর পারফরম্যান্স ছিল চমৎকার। বিশেষ করে ব্যাট হাতে রীতিমতো নজরই কেড়েছেন তিনি। পাকিস্তানে আসার আগে বিপিএলে নিজের সর্বশেষ ম্যাচে ঢাকা প্লাটুনের হয়ে রাজশাহী রয়্যালসের বিপক্ষে খেলেছিলেন ৬৮ রানের ইনিংস। ফিফটি আছে সিলেট ও চট্টগ্রামের বিপক্ষেও।