রো’হিঙ্গা গণহ’ত্যায় আন্তর্জাতিক আ’দালতের রা’য় আজ

মি’য়ানমারের রাখাই’নে রো’হিঙ্গা’দের বিরু’দ্ধে গণহ’ত্যা ব’ন্ধে ব্যব’স্থা নিতে আ’ন্তর্জাতিক বি’চার আদাল’ত গাম্বিয়ার করা মা’মলার রা’য় প্রদান করবে আজ। বাংলা’দেশ সময় দুপুর নটায় নেদারল্যান্ডসের হেগে ১৫ বিচারপতির সমন্বয়ে গঠিত আইসি’জে এ রা’য় দিবে।

আদালতে গাম্বিয়া যুক্তি দিয়েছিলো রাখাই’ন রা’জ্যে বসবাসরত রো’হিঙ্গা মুসলিম জনগোষ্ঠীর বি’রুদ্ধে মি’য়ানমার গ’ণহ’ত্যা চালিয়েছে। এই যুক্তির প্রমাণ হিসেবে তারা জাতিসংঘের ফ্যা’ক্ট-ফাই’ন্ডিং মিশন এবং বিভিন্ন মা’নবাধিকার সংস্থা’র প্রতিবে’দনের তথ্য-প্রমাণ আ’দালতে সর’বরাহ করেছিলো।

আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা অ’ন্টারিও’র এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০১৭ সালের আগস্ট থেকে মি’য়ানমারের সরকারি বা’হিনীর হাতে ২৪ হাজারের বেশি রো’হিঙ্গা নি’হত হয়েছেন। এই প্রতিবেদনটি তৈরি করতে তারা কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, বাংলাদেশ, নরওয়ে এবং ফিলিপাইনের গবেষক ও সংস্থার সহযোগিতা নিয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৩৪ হাজারের বেশি মানুষকে আগু’নে নি’ক্ষেপ এবং ১ লাখ ১৪ হাজারের বেশি মানুষকে পেটা’নো হয়।

আরও বলেছে, মি’য়ানমারের সে’নাবাহি’নী এবং পু’লিশ ১৭ হাজার ৭১৮ রো’হিঙ্গা নারী ও শিশুকে ধ’র্ষণ করেছে।

জাতিসংঘ এটিকে জা’তিগত নি’ধনে’র উদাহরণ হিসেবে অভিহিত করেছে। এছাড়াও, জাতিসংঘের ফ্যা’ক্ট-ফা’ইন্ডিং মিশন এই স’হিং’সতা’টিকে গ’ণহ’ত্যা হিসেবে অভিহিত করেছ। এর সঙ্গে জ’ড়িত ঊ’র্ধ্বতন সা’মরিক ক’র্মক’র্তাদের তদন্ত ও বি’চা’রের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০১৭ সালের আগস্টের পর থেকে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর ব’র্বরতা’র শিকার হয়ে প্রায় সাড়ে ৭ লাখ রো’হি’ঙ্গা মিয়ানমার থেকে সী’মানা পে’রিয়ে প্রতিবেশী বাংলাদেশে পা’লিয়ে আসে। এর আগে বিভিন্ন সময় নি’র্যাতনের শি’কার আরও ৪ থেকে ৫ লাখ রো’হি’ঙ্গা পা’লিয়ে বাংলাদেশে এসেছিলো।