ঘণ্টায় ১৭৫ কিমি গতি তুলেছেন মাথেসা পাথিরানা

অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ খেলার আগেই আলাদা নজর কেড়েছেন শ্রীলঙ্কান পেসার মাথেসা পাথিরানা। ইন্টারনেটে তাঁর বোলিং অ্যাকশন দেখে ‘নতুন মালিঙ্গা’ তকমা দিয়েছেন অনেকে। এ পেসারের অ্যাকশন অবিকল মালিঙ্গার মতোই, মারতে পারেন টানা ইয়র্কারও। পরশু ভারত-শ্রীলঙ্কা ম্যাচের পর পাথিরানা সংবাদমাধ্যমের শিরোনাম হয়েছেন কারণ স্পিডগানে তার একটি ডেলিভারির গতি উঠেছে ঘণ্টায় ১৭৫ কিলোমিটার!

ভ্রুকুটির আগে ঘটনাটা জেনে নেওয়া ভালো। ব্লুমফন্টেইনে ভারতের যুবাদের কাছে শ্রীলঙ্কার হারের পাথিরানার ডেলিভারিটি আলোচনার জন্ম দেয়। ভারতের ইনিংসে চতুর্থ ওভারে তার পঞ্চম ডেলিভারিটি ওয়াইড দেন আম্পায়ার। স্কোরবোর্ডের পাশে রাখা স্পিডগানে সে ডেলিভারিটির গতি ওঠে ১৭৫ কিমি । এতে চক্ষু চড়কগাছ হওয়াই স্বাভাবিক। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের সব পর্যায়ে সবচেয়ে দ্রুততম ডেলিভারির রেকর্ড এখনো শোয়েব আখতারের দখলে। ২০০৩ বিশ্বকাপে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ঘণ্টায় ১৬১.৩ কিমি গতিতে বল করেছিলেন পাকিস্তানি কিংবদন্তি।অথচ শোয়েবকে বড় ব্যবধানে টপকে গেলেন কি না, এক কিশোর!

তবে বেশির ভাগের মতামত, স্পিডগানে কোনো কারিগরি ত্রুটির কারণে গতির হিসেবটা সম্ভবত ভুল ছিল। কারণ ডেলিভারিটি দেখে অনেকেই বলছেন তা ঘণ্টায় ১৪০ কিলোমিটারের আশপাশে ছিল। যদিও আইসিসি এ নিয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি দেয়নি। অর্থাৎ গতির হিসেবটা সঠিক না ভুল ছিল তা নিয়ে এখনো কিছু বলা হয়নি।