পাকিস্তান সফর নিশ্চিত করায় বাংলাদেশকে সাধুবাদ জানালো আফ্রিদি !

তিন দফার এই সফরে প্রথমে টি-টোয়েন্টি সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ। এরপর দুইটি টেস্টসহ একটি ওয়ানডেও রয়েছে দুই দলের। পাকিস্তানের সাবেক অধিনায়ক শহীদ আফ্রিদির চাওয়া, সবগুলো সিরিজের জন্যই পূর্ণ শক্তির দল পাঠাক বাংলাদেশ।

প্রথমে অনেক তারকা ক্রিকেটারই পাকিস্তানে যেতে রাজি হননি। যদিও সেটা লম্বা সময়কে কারণ হিসেবে দেখিয়েছেন তারা। কিন্তু এখন তিন ভাগে সফর করবে বাংলাদেশ। ফলে পাকিস্তান সফরে বেশিরভাগ ক্রিকেটারকে পাচ্ছে বাংলাদেশ দল, বলাই যায়। সকলে রাজি হলেও দেশের অন্যতম সেরা ক্রিকেটার মুশফিকুর রহিম রাজি নন পাকিস্তানে যেতে। বিদেশ সফরের আগে খেলোয়াড়দের থেকে থেকে নেয়া গভর্নমেন্ট অর্ডার (জিও) বা সরকারি আদেশে স্বাক্ষর করেননি অভিজ্ঞ এই ক্রিকেটার।

আগামী ২৪ জানুয়ারি থেকে শুরু হবে বাংলাদেশ-পাকিস্তানের টি-টোয়েন্টি সিরিজ। তিন ম্যাচের সিরিজটি জমজমাট করতে বাংলাদেশের পূর্ণ শক্তির দল চাইছেন পাকিস্তানের সাবেক এই তারকা অলরাউন্ডার।একটি ভিডিও বার্তায় তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ আসছে এটা আমাদের জন্য সুসংবাদ। দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক মজবুত করতে এই সিরিজটি অনেক জরুরী ছিল। আর উপমহাদেশে ক্রিকেটের উন্মাদনা তো আছেই।”বাংলাদেশের পূর্ণ শক্তির দল আসলে অনেক ভালো হবে। আমার কাছে মনে হয় তাহলে ম্যাচগুলো জমজমাট হবে। বিপিএলে আমি দেখে এসেছি অনেক প্রতিভাবান ক্রিকেটার রয়েছে বাংলাদেশের। বর্তমান বাংলাদেশ খুবই ভালো একটি দল, যারা যেকোনো কিছু করতে পারে।’ যোগ করেন পাকিস্তানের সাবেক এই তারকা।

সিরিজটি আরও বেশি উপভোগ্য হতো যদি একবারই সফরে যেত বাংলাদেশ, মনে করছেন আফ্রিদি। তবে এই সিদ্ধান্তেও সন্তুষ্ট পাকিস্তান। বাংলাদেশের ক্রিকেট সমর্থকদের পাকিস্তানে গিয়ে সিরিজটি উপভোগ করারও আমন্ত্রণ জানিয়েছেন সাবেক এই লেগ স্পিনার।আফ্রিদি বলেন, ‘তিন ভাগে না হয়ে একসাথে হলে ভালো হতো। তবে এখনকার সিদ্ধান্তকেও সাধুবাদ জানাই। বাংলাদেশের সকল সমর্থকদের আমন্ত্রণ করছি পাকিস্তানে এসে আমাদের সঙ্গে ক্রিকেট উপভোগ করার জন্য। আমাদের আথিতেয়তায় কোনো কমতি হবে না।’

টি-টোয়েন্টি সিরিজ শেষে ৭-১১ ফেব্রুয়ারি রাউলাপিন্ডিতে প্রথম টেস্ট খেলবে বাংলাদেশ। ৫-৯ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে দ্বিতীয় টেস্ট ম্যাচটি। এর আগে ৩ এপ্রিল একমাত্র ওয়ানডে খেলবে দুই দল।