সাকিবের জন্য যুক্তরাজ্য থেকে ঢাকায় ফামি!

বর্তমান প্রসঙ্গে ঢোকার আগে খানিক অতীতে যাওয়া দরকার। স্মৃতি ফামির শুরুটা হয় ১৯৯২ সালে, এপি কোল্ড ক্রিমের একটি বিজ্ঞাপনচিত্রের মাধ্যমে। এরপর অসংখ্য জনপ্রিয় বিজ্ঞাপনের মডেল হয়েছেন দশকজুড়ে। সে সময় কোমল পানীয় কোকাকোলার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবেও কাজ করেন স্মৃতি। যুক্তরাজ্যে পাড়ি জমানোর আগে ১৯৯৯ সালে শেষ কাজটি করেন ফুজিয়ান ফ্রিজের।

মডেল স্মৃতি ফামির পর্দার গল্প মূলত সেখানেই শেষ হওয়ার কথা ছিল। পড়াশোনা, সংসার আর শিক্ষকতা নিয়েই প্রবাস জীবন গুছিয়ে নিয়েছেন নিজের মতো করে।

কিন্তু না। টানা ২০ বছর পর তিনি আবারও বিজ্ঞাপনের ক্যামেরার সামনে দাঁড়ালেন, ফেলে যাওয়া পুরনো শহরে। যেখানে তিনি সহশিল্পী হিসেবে পেয়েছেন বিশ্বখ্যাত ক্রিকেটার সাকিব আল হাসানকে। যুক্তরাজ্য থেকে এসে কাজটি করার পেছনে এটাও বড় একটি কারণ। গ্ল্যাক্সোস ডি’র এই বিজ্ঞাপনচিত্রটি নির্মাণ করেছেন দেশের আরেক আলোচিত নাম অমিতাভ রেজা চৌধুরী।

স্মৃতি ফামি কাজটি শেষ করে আজ (১৪ জানুয়ারি) রাতেই যুক্তরাজ্যগামী উড়োজাহাজে উঠছেন। ঠিক তার আগে আগে বললেন, ‘বিজ্ঞাপন সেক্টরটা আমার জন্য অনেক আবেগের বিষয়। আমি এখন বিমানবন্দরে। ফিরে যাচ্ছি যুক্তরাজ্যে। গেল ২০ বছরে আমি নানা কারণে এই শহরে এসেছি। কিন্তু এবারের আসা এবং চলে যাওয়াটা সত্যিই অন্যরকম অনুভূতির। কারণ, আমি আবারও এই শহরের কোনও বিজ্ঞাপনের ইউনিটে কাজ করলাম! এটা নস্টালজিক বিষয়। শুধু এই অনুভূতির স্বাদ নেবো বলেই মাত্র দুদিনের জন্য হুট করে চলে এলাম।’

স্মৃতি ফামি জানান, ৮ জানুয়ারি এই কাজটির জন্য অমিতাভ রেজার ডাকে হুট করেই ঢাকায় আসেন। মিটিং আর প্রস্তুতি শেষে গেল ১০ ও ১১ জানুয়ারি টানা শুটিং করেন। অবশেষে আজ (১৪ জানুয়ারি) ফিরছেন প্রবাসঘরে, যুক্তরাজ্যে।

কাজের অভিজ্ঞতা প্রসঙ্গে স্মৃতি বলেন, ‘অমিতাভ রেজা আর সাকিব আল হাসান। দুজন সম্পর্কে আমি আর কী বলবো! তাদের সম্পর্কে সবাই জানেন। দুজনই নিজ নিজ অঙ্গনে সেরা। অমিতাভ দা আমাকে ডেকেছেন, সাকিব আল হাসান আমার সহশিল্পী! এটাই বড় প্রশান্তি। বহুকাল পর মনে হলো, এই শহর এখনও আমায় মনে রেখেছে! যদিও আমি ভাবতাম, সবাই ভুলে গেছে। অমিতাভ রেজা ও সাকিব, দুজন অসাধারণ মানুষের সঙ্গে কাজ করলাম। এটা আমার জীবনের বড় অর্জন।’ সূত্রঃ বাংলা ট্রিবিউন