বিয়ে আমার ম্যাচিউরিটি বাড়িয়ে দিয়েছেঃ লিটন দাস

বিপিএলে লিটন কুমার দাস বেশ পরিচিত এক নাম। জাতীয় দলে আসার আগে থেকেই তিনি বিপিএলে খেলেছেন, ২০১৩ সাল থেকে। ৫৬ ম্যাচের বিপিএল ক্যারিয়ারে লিটন রান করেছেন ১০৬৩। যার ৪২২ রানই লিটন করেছেন চলমান বঙ্গবন্ধু বিপিএলের ১২ ম্যাচ খেলে।

এখন অব্দি বঙ্গবন্ধু বিপিএলের চতুর্থ সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক লিটন দাস। গড়টা ৩৮.৩৬, স্ট্রাইক রেট ১৩৯.৭৩। লিটন দাসের ব্যাটিং প্রতিভা নিয়ে সন্দেহ ছিলো না কখনোই। ম্যাচিউরিটির অভাব আছে বলে প্রতিভার নিদারুণ অপচয় হচ্ছে বলে রায় দিতেন অনেকে। এবারের বিপিএলে সেই ম্যাচিউরিটি টা বেড়েছে বলেই মনে হচ্ছে।

চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের বিপক্ষে ৭৫ রানের ইনিংস খেলে ম্যাচ সেরা হয়েছেন লিটন দাস। ম্যাচ শেষে সংবাদ সম্মেলনে রাজশাহী রয়্যালসের পক্ষে আসেন তিনিই। সেখান ম্যাচিউরিটি বেড়ে যাবার কারণ জিজ্ঞাসা করা হয় তাকে। সেটা বেশি ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতার কারণে কিনা সেটাও জানতে চাওয়া হয়।

উত্তরে লিটন বলেন, ‘দেখেন, বেশি ম্যাচ খেলা, অভিজ্ঞতা টা তো স্বাভাবিক। আমি লাকি যে আমি খুব কম বয়সের মধ্যে বিয়ে করে ফেলেছি। বিয়ে জিনিসটা আমার ম্যাচিউরিটিটা বাড়িয়ে দিয়েছে। এটা আমি ফিল করি, জানি না কে কেমন ফিল করে। আমার মনে হয় ঐ জিনিসটাই, একটু সিনিয়র ফিল করতেছি (হাসি)।’

এর আগে ২০১৬-১৭ তে ক্যারিয়ারের বাজে সময়টাতেও অনেক কিছু শিখেছেন লিটন দাস। আর ম্যাচিউরিটি লেভেলের পরবর্তী ধাপে পৌছেছেন বিয়ের পর। কিভাবে কি বেড়েছে তা জানেন না লিটন তবে অনুভব করতে পারেন ঠিকই।

‘দেখেন আমি দুইটা কথা বলি। আমি যখন ১৬-১৭ তে খুব খারাপ ক্রিকেট খেলেছি, জাতীয় দলের বাইরে ছিলাম। সেই সময় আমার ম্যাচিউরিটি লেভেল একটু বেড়েছে। কারণ আমি কখনো অফ ফর্মে থাকিনি। তো ঐসময়ে মনে হয় আমি লাইফে অনেক কিছু শিখেছি, ঠেকেছি। ঐ জায়গাতে আমার ম্যাচিউরিটি লেভেলটা অনেক আগিয়ে গিয়েছে। আর বিয়ের পর আমার ম্যাচিউরিটি লেভেলটা আরেকটু বেড়েছে। জানিনা এটা কিভাবে বেড়েছে, তবে আমার মনে হয় বেড়েছে। মাঠে হোক, মাঠের বাইরে হোক- সবকিছুতেই।’

প্রসঙ্গত বাংলাদেশের বিশ্বকাপ মিশন শেষে বিয়ের জন্য ছুটি নিয়েছিলেন লিটন দাস। গেলবছরের ২৮ জুলাই বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন লিটন। বিয়ের কারণে জাতীয় দলের সঙ্গে শ্রীলঙ্কা সফরে যেতে পারেননি লিটন।