সম্পর্কের অবনতি ঠেকাতে শেখ হাসিনাকে মোদির বার্তা

নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ) ও জাতীয় নাগরিক নিবন্ধন (এনআরসি) বাতিলের দাবিতে ভারতের কলকাতা উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও বিশিষ্টজনদের প্রতিবাদ মিছিলে কার্যত অচল হয়ে পড়েছে কলকাতা শহর। এই আইন নিয়ে মোদী সরকাররের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে মালয়েশিয়ার মতো মুসলিম দেশও।

এদিকে ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বার বার আফগানিস্তান ও পাকিস্তানের সঙ্গে একই বন্ধনীতে বাংলাদেশ থেকে ধর্মীয় উৎপীড়নের কারণে হিন্দুদের ভারতে চলে আসার কথা বলেছেন, যা ভাল ভাবে নেয়নি হাসিনা সরকার।

তাই সম্পর্কের অবনতি ঠেকাতে আলাদা করে বাংলাদেশের উদ্দেশে বার্তা দিতে দেখা যায় প্রধানমন্ত্রীকে। তিনি বলেন, ‘‘বহু বছর বাদে বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক এতটা ঘনিষ্ঠ হয়েছে। দেশভাগের সময় থেকে চলে আসা সমস্যা মেটাতে সক্রিয় হয়েছে দু’দেশ। সীমান্ত সমস্যা ছাড়া যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, যেমন— রেল, ব্রডব্যান্ড, জলপথে যাতায়াতের প্রশ্নে দু’দেশ এক সঙ্গে কাজ করছে।’’

অন্যদিকে পাকিস্তানে সাথে কোন বন্ধুত্ব নয় এমন ইঙ্গিত করে মোদী বলেন, ‘‘২০১৪ সালে ক্ষমতায় এসেই শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীকে ডেকেছিলাম। নতুন ভাবে বন্ধুত্বের হাত বাড়ানো হয়েছিল। আমি লাহৌরও গিয়েছিলাম। কিন্তু ধোঁকার শিকার হয়েছি।’’