মুসলিমদের পক্ষ নেয়ায় সরকারি কর্মকর্তার বেতন বন্ধ করে দিল মোদি

ভারতে সদ্য পাস হওয়া নাগরিকত্ব আইন বাতিলের দাবি যেন এখন মানবিক অধিকার হয়ে দাঁড়িয়েছে । আর তাইতো এই আইন ভাংগতে ফুসে উঠেছে সমগ্র মুসলিম ভারত। ইতিমধ্যে বিক্ষো’ভ ঠেকাতে হিমশিম খাচ্ছে সরকার ও প্রশাসন। ইতিমধ্যেই প্রতি’বাদ-বিক্ষো’ভ খবর প্রচারের ক্ষেত্রে গণমাধ্যমকে ‘বিশেষ নির্দেশিকা’ দিয়েছে নরেন্দ্র মোদির সরকার। সহিংস’তা ও বিক্ষো’ভের কোন খবর সংবাদমাধ্যমকে প্রকাশ করতেও বাধা দেয় মোদী সরকার।

এদিকে ভারতের ত্রিপুরায় এনআরসির প্রতিবাদ করার অভিযোগে এক সরকারি কর্মকর্তার বেতন বন্ধ করে দিয়েছে মোদি সরকার। শুধু কি তাই, খবর আজকালের বরাতে জানা যায়, তাকে অন্যত্র বদলিও করে দেয়া হয়েছে। আর গত অক্টোবর থেকে পরিবার পরিজন নিদারুন অর্থকষ্টে ভোগছেন খাদ্য দফতরের অ্যাকাউন্ট্যান্ট ব্রজলাল দেববর্মা।

পরিবারের এমন অর্থ খরায় ত্রিপুরার এক ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে দরখাস্ত দিয়ে বিষ সরবরাহের আবেদন জানালেন তিনি। জানা যায়, রাজ্যে এনআরসি বিরোধী আন্দোল’নে ব্রজলাল সক্রিয়ভাবে অংশ নিয়েছেন বলে খাদ্য বিভাগে অভিযোগ জমা পড়ে। তার পরই বদলি করে তার বেতন বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।

গত শনিবার ২১ ডিসেম্বর ম্যাজিস্ট্রেটকে লেখা চিঠিতে তিনি লিখেছেন,‌ “মহাশয়, আমি এবং আমার স্ত্রী বারবার আপনাকে আমার বেতন মিটিয়ে দেয়ার অনুরোধ করেছি। কিন্তু কাজ হয়নি। টাকা নেই, তাই পরিবারের সদস্যদের নিয়ে প্রয়োজনীয় খাদ্য এবং ওষুধের অভাবে কঠিন সময় কাটাচ্ছি।

এই পরিস্থিতিতে আমার অনুরোধ, আপনি দয়া করে আমাকে বিষ সরবরাহ করে বাধিত করবেন, যাতে আমি সপরিবার বিষ খেয়ে মরতে পারি।”