টেনে দাড়ি ছিঁড়ে নেয়ার হুমকি মুসলিম সাংবাদিককে

চলমান সংশোধিত নাগরিকত্ব আইন নিয়ে ভারতের আন্দোলন-বিক্ষোভ যেন দিন দিন আরও বেগবান হচ্ছে। গত ১৯ ডিসেম্বর রাজধানী দিল্লিতে পুলিশ বিক্ষোভের অনুমতি দেয়নি। এছাড়াও, লখনৌতেও কোনও বড় সমাবেশের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। অনেক জায়গায় ১৪৪ ধারাও জারি করা হয়েছিল। এদিন লখনউয়ের ঘটনায় এক জনের মৃত্যু হয়েছে।

এমন দিনে এই আইনের প্রতিবাদে লখনউয়ে হিংসার ঘটনায় মদত দেওয়ার অভিযোগে এ বার পুলিশের হাতে হেনস্থা হতে হল সর্বভারতীয় সংবাদপত্রের এক মুসলিম সাংবাদিককে ।

লখনউয়ের এক রেস্তোরাঁ থেকে পুলিশ তুলে নিয়ে যায় ‘দ্য হিন্দু’ পত্রিকার লখনউয়ের প্রতিবেদক ওমর রশিদ ও তাঁর এক বন্ধুকে।শুধু কি তাই, মুসলিম হওয়ায় ‘টেনে দাড়ি ছিঁড়ে নেব।’’ এমন হুমকিও দেয়া হয়।

ভারতীয় সাংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারকে ওমর জানায়, ‘‘ওরা আমাদের থানায় নিয়ে গিয়ে একটা ঘরে বন্ধ করে রাখল। ওরা আমার মোবাইল-সহ আর যা কিছু সঙ্গে ছিল, সবই কেড়ে নিল। বেধড়ক মারধর করল আমার বন্ধুকে। নানা রকম ভাবে জেরা করতে করতে ওরা আমাদের বলল, লখনউয়ের হিংসার ঘটনার চক্রান্তে নাকি আমরা জড়িত। কাশ্মীরীদের সঙ্গে আমার যোগাযোগ কতটা, ওরাও লখনউয়ের ঘটনায় জড়িত ছিল কি না, সেই সব জানতে চাইল আমাদের কাছে। ওরা বার বার বলছিল, আমার বিরুদ্ধে ওদের কাছে নথিপত্র আছে। তার পর আমাকে গালিগালাজ করা শুরু করল অকথ্য ভাষায়। বলা হল, টেনে আমার দাড়ি ছিঁড়ে দেওয়া হবে।’’