গণহত্যার কাঠগড়ায় সুচি, মিয়ানমারে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা

যিনি ছিলেন বিশ্ব শান্তির জন্য নোবেলজয়ী, যাকে বলা হত ‘বিশ্ব শান্তির মানসকন্যা’ , যাকে নিয়ে সারা বিশ্ব গর্ববোধ করতো । তিনিই আজ গণহত্যার গ্লানি মাথায় নিয়ে কাঠগড়ায় দাঁড়াবেন । হ্যা, বলছি মিয়ানমারের নেত্রী অং সান সুচি’র কথা । গণহত্যার অভিযোগে বিচারের মুখোমুখি হয়ে মিয়ানমারের পক্ষে সাফাই গাইতে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে আজ বুধবার বক্তব্য রাখতে যাচ্ছেন তিনি।

যদিও গাম্বিয়া, কানাডা, নেদারল্যান্ড, মার্কিন সহ অনেক দেশই মায়ানমারের বিপক্ষে অবস্থান করছে। গাম্বিয়ার বিচারবিষয়ক মন্ত্রী আবুবকর তামবাদু বলেছেন, সুচি মিয়ানমারের অপরাধ অস্বীকারের পুনরাবৃত্তি ঘটালে তা হবে চরম হতাশাজনক।

এদিকে রয়টার্সের খবর অনুযায়ী, ‘সংখ্যালঘু নিপীড়নের অভিযোগে মিয়ানমারের সেনাপ্রধানসহ শীর্ষ চার সামরিক কর্মকর্তার ওপর আরেক দফা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। রোহিঙ্গাসহ সংখ্যালঘু নিপীড়নের জন্য নতুন করে এই নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র’।

গত মঙ্গলবার যুক্তরাষ্ট্রের ট্রেজারি ডিপার্টমেন্ট , মিয়ানমারের চার সেনা কর্মকর্তাদের কালো তালিকাভুক্ত করেছে। তারা হলেন মিয়ানমার সেনাবাহিনীর প্রধান সিনিয়র জেনারেল মিন অং হ্লাইং , সেনাবাহিনীর উপপ্রধান ভাইস সিনিয়র জেনারেল সোয়ে উইন, ৩৩ লাইট ইনফানট্রি ডিভিশনের ব্রিগেডিয়ার জেনারেল অং অং এবং ৯৯ লাইট ইনফানট্রি ডিভিশনের ব্রিগেডিয়ার জেনারেল থানও।

উল্লেখ্য , গত ১১ নভেম্বর রাখাইনে সংখ্যালঘু রোহিঙ্গা মুসলিমদের বিরুদ্ধে পরিচালিত অভিযানে গণহত্যা চালানোর অভিযোগ এনে মিয়ানমারের নামে জাতিসংঘের সর্বোচ্চ আদালতে মামলা করেছিল গাম্বিয়া।