বড় বিপদে পড়তে যাচ্ছেন অং সান সু চি !

১৯৯১ সালে শান্তিতে নোবেল পুরষ্কার পেয়েছিলেন অং সান সু চি । শান্তিপূর্ণ পথে জাতিগত বিভেদ নিষ্পত্তির চেষ্টা করে বিশ্বের সবচেয়ে সম্মানজনক এই পুরস্কার পান তিনি। কিন্তু শান্তিতে নোবেল পাওয়া এই নেত্রীর যেখানে এমন গণহত্যার বিপক্ষে শক্ত অবস্থান নেওয়ার কথা, সেখানে রোহিঙ্গা গণহত্যার মত ঘটনায় তীব্র নিন্দার ঝড় উঠেছে সারা পৃথিবী জুড়ে।

কারণ এটা এখন সবাই জানে যে, মিয়ানমারের সংবিধান অনুযায়ী সামরিক কর্মকর্তাদের জন্য ২৫ ভাগ সংসদীয় আসন বরাদ্দ রয়েছে। সংবিধান পরিবর্তনের ক্ষেত্রে তাদের ভেটো দেওয়ার অধিকারও আছে।

তারই নেপথ্যে নেদারল্যান্ডসের হেগের আন্তর্জাতিক আদালতে (আইসিজে) রোহিঙ্গাদের গণহত্যা সংক্রান্ত মামলার শুনানি শুরু হতে যাচ্ছে। শুনানির সময় পিস প্যালেসে থাকবেন গাম্বিয়া ও মিয়ানমারের পাশাপাশি বাংলাদেশ এবং কানাডার প্রতিনিধিরা । এছাড়াও বাংলাদেশ-কানাডার পাশাপাশি নেদারল্যান্ডস নেপথ্যে থেকে গাম্বিয়াকে সহযোগিতা করবে। কানাডা ও নেদারল্যান্ডসের পক্ষ থেকে সোমবার দেয়া এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, গণহত্যায় দায়ীদের বিচার নিশ্চিতে গাম্বিয়ার এই উদ্যোগকে সাধুবাদ জানাই এবং এর প্রতি আমাদের পূর্ণ সমর্থন রয়েছে।

আইজিসেতে বিচারের মাধ্যমে গণহত্যায় দায়ীদের শাস্তি নিশ্চিতে কানাডা ও নেদারল্যান্ডস সচেষ্ট। অন্য সব দেশকে এক্ষেত্রে এগিয়ে আসার আহ্বান জানাচ্ছে। উল্লেখ্য , গতকাল অং সান সু চির সমর্থনে মিয়ানমারে বিভিন্ন স্থানে মিছিল-সমাবেশ করেছে জনতা। তাদের হাতে বহন করা প্লাকার্ডে লিখা ছিল, ‘ উই স্ট্যান্ড উইথ স্ট্যাট অং সান সু চি’ এবং উই স্ট্যান্ড উইথ মিয়ানমার’।

তবে এই মামলার রায় যদি সূ চির বিপক্ষে যায় , তাহলে বড় বিপদে পড়তে পারেন তিনি। অনেকে বলেছেন তার নোবেল পুরস্কার বাজেয়াপ্তও হতে পারে । হতে পারে শাস্তিও ।