কাশ্মীরের পক্ষে দাঁড়াল যেসব দেশ

জম্মু ও কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বাতিল করে ভারত সরকার। একইসঙ্গে বাতিল করা হয় ৩৭০ ধারার অন্তর্গত ৩৫-এ ধারাও। গত সোমবার রাজ্যসভায় পাস হয়েছিল ৩৭০ ধারা বিলোপের প্রস্তাব। প্রত্যাশিতভাবে মঙ্গলবার লোকসভাতেও পাস হয়ে গিয়েছে ৩৭০ ধারা বিলোপের প্রস্তাব। ফলে উত্তপ্ত রাজনৈতিক মহল।

কাশ্মীরিদের সুবিধা বাতিল করার পর থেকে মোদি সরকারকে নিয়ে দেশে-বিদেশে আলোচনা-সমালোচনা তুঙ্গে। ভারত সরকারের এই সিদ্ধান্তের পক্ষে-বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছে বিভিন্ন দেশ।

সোমবার (৫ আগস্ট) ভারতের সংবিধানের ৩৭০ ধারা বাতিল ঘোষণা করে দেশটির সরকার। পরে লোকসভায়ও প্রস্তাবটি পাশ হয়। সোমবারই বিশ্বের বিভিন্ন দেশ প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করে।

পাকিস্তান: কাশ্মীরিদের পক্ষে প্রথম অবস্থান নেয় পাকিস্তান সরকার। ভারতকে কঠিন পরিণতির হুঁশিয়ারি দেন প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। পাকিস্তানের সেনাবাহিনীও প্রয়োজনে কাশ্মীরিদের পক্ষে লড়াই করার ঘোষণা দেয়।

মালয়েশিয়া: মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদও কাশ্মীরিদের পক্ষে অবস্থান নেয়। ভারত সরকারের নেয়া সিদ্ধান্তের সমালোচনা করে পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে ফোন করেন তিনি। জাতিসংঘের আসন্ন সাধারণ অধিবেষণের ফাঁকে ইমরান খানের সঙ্গে তিনি বৈঠক করবেন বলেও জানান।

তুরস্ক: সোমবারই কাশ্মীরিদের পক্ষে নিজের অবস্থান পরিস্কার করেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোয়ান।

পাক প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ভারত অধিকৃত কাশ্মীরের বর্তমান পরিস্থিতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান। এই বিষয়ে তুরস্কের দৃঢ় সমর্থন পাকিস্তানের পাশে থাকবে বলে জানিয়েছেন তিনি।

চীন: জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা তুলে নেয়ায় ভারতের সমালোচনা করেছে সদস্য চীন। চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর মুখপাত্র হুয়া চুনইয়াং মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে বলেন, কাশ্মীরের বর্তমান অবস্থা নিয়ে চীন গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। তিনি বলেন, চীন ভারতকে সীমান্তের সমস্যাটিকে আরও জটিল করে তোলে এমন কোনো পদক্ষেপ এড়ানোর জন্য অনুরোধ করেছিল।